বিসিএস পরিক্ষা দিতে না চেয়েও থার্ড হলেন নীলিমা

আলহামদুলিল্লাহ। ৩৮তম বিসিএস এ সুপারিশ প্রাপ্ত হলাম (৩য় স্থান)। যদিও ৩৯তম এর মত প্রথম হইনি তৃতীয় হয়েছি কিন্তু অসম্ভব ভালো লাগছে। দীর্ঘ ৪ বছরের সাধনার সমাপ্তি হল। আমার বিসিএস এর যাত্রাই শুরু হয় ৩৮তম দিয়ে।

সেই ২০১৬ সালে ইন্টার্নশিপের সময় বাবুটাকে পেটে নিয়ে। এফসিপিএস পরীক্ষার তিনদিন আগে ছিল প্রিলি। ছোট বাবু নিয়ে কি করে যে দুইটা পরীক্ষায় পাশ করেছিলাম শুধু আমিই যানি। এরপর মাঝে আসল ৩৯তম বিসিএস।

তার তিনদিন পর ৩৮তম রিটেন। কি যে দিন গিয়েছিল। আবার ৩৮তম মেডিকেল সায়েন্স রিটেন ৩৯তম ভাইভা আর রেসিডেন্সি পরীক্ষা সব একসাথে জট পাকিয়ে গেল। ফলাফল-৩৯তম বিসিএস প্রথম ৩৮তম বিসিএস (স্বাস্থ্য-৩য়) এফসিপিএস প্রথমপর্ব পাশ এমএস রেসিডেন্সি (গাইনী বিএসএমএমইউ- প্রথম) প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক লাভ এমআরসিওজি(লন্ডন) পার্ট ওয়ান পাশ। এই সবকটি অর্জনের সাথে ওতপ্রোতওতপ্রোতভাবে এবং বাধা হিসেবে জড়িয়ে ছিল এই বিসিএসটি। শেষপর্যন্ত ভাইভা বোর্ড এ যেতে পারব

আরো পড়ুনঃ চারবার অকৃতকার্য হয়েও বিসিএস ক্যাডার হলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তৃপ্তি যেভাবে সহকারী জজ হলেন নর্দান বিশ্ববিদ্যালয়ের তানজিনা আক্তার
কিনা তা নিয়েও ছিল অনেক বাধা।ভাইভা দিতে পারব কিনা সেটাও জানতাম না।

ভাইভা দেয়ার ঠিক আগ মুহূর্তেও আমাকে প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হল ৩৯ এ প্রথম হয়েও কেন ৩৮তম দিতে আসলাম। কিন্তু আমিতো জানি এই বিসিএসটা আমার জন্য শুধু বিসিএসইনা একটা ইমোশন দীর্ঘস্থায়ী কষ্ট যার শেষ আমাকে দেখতেই হবে। জানিনা এর পর কি হবে জয়েন করতে পারব কিনা বা পারলেও সিনিয়রিটি পাব কিনা চাকরিকাল যোগ হবে কিনা (আমাকে যথাসময়ে কোর্সে ফিরতে হবে)। যাইহোক সবশেষে

আলহামদুলিল্লাহ। এই প্রাপ্তিটা আমি নিজেকেই উৎসর্গ করলাম কারণ অসংখ্য কষ্ট আর বাধার পরও ধৈর্যধারণ করতে পারার। আর সেই সাথে মহান আল্লাহ্‌র দরবারে শতকোটি শুকরিয়া। লেখক : নীলিমা ইয়াসমিন ৩৯ তম বিসিএসে প্রথম স্থান ৩৮ তম বিসিএসে তৃতীয় স্থান

Leave a Comment