1. admin@bdnews88.com : newsroom :
  2. wadminw@wordpress.com : wadminw : wadminw
যে কারণে শুধু BCS পরীক্ষার প্রস্তুতিই নিবেন: গাজী মিজানুর রহ’মান।। - বিডি নিউজ
January 24, 2023, 12:13 pm
Breaking News:

যে কারণে শুধু BCS পরীক্ষার প্রস্তুতিই নিবেন: গাজী মিজানুর রহ’মান।।

  • Update Time : Wednesday, March 9, 2022
  • 87 Time View
sdfghrds

BCS ক্যাডার বা একটি ভালো সরকারি চাকরি এমন এক জিনিস যা আপনার পুরো জীবন এমনকি আপনার পরিবার, আপনার ও আপনার পরিবারের সামাজিক অবস্থান নিমিষে বদলে দিতে পারে।

আর সেটা সম্ভব আপনি যদি একটু বেশি কষ্ট করতে পারেন, একটু বেশি যদি ত্যাগ স্বীকার করতে পারেন! আপনি যদি অন্যদের চেয়ে খানিকটা ব্যতিক্রমী হতে পারেন। আর যদি জীবনে বড় হওয়ার অনেক বড় স্বপ্ন ও তীব্র ইচ্ছা থাকে! তখনই আপনি পারবেন, তখনই আপনার দ্বারা সম্ভবপর হবে!

বিশ্বাস করুন, যারা আজ আপনাকে, আপনার পরিবারকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে হেয় প্রতিপন্ন করছে, ঠাট্টা-বিদ্রূপ করছে, আপনি যখন বিসিএস ক্যাডার কিংবা ভালো একটি সরকারি চাকরি পাবেন, তারাই প্রথমে আপনাকে অভিনন্দন জানাবে, তারাই বেশি বেশি আপনার ও আপনার পরিবারের প্রশংসা করবে!

আমার অনেক কাছের বন্ধু-বান্ধব, বড় ভাই, ছোট ভাইকে দেখেছি যারা চাকরির জন্য অনেক পড়েছে কিন্তু কোনো চাকরি হয়নি; কিন্তু শেষে দেখা গেছে তার জীবনের প্রথম চাকুরিটাই হলো বিসিএস ক্যাডার হিসেবে!

আবার অনেককে এমন দেখেছি যারা ভালো করে করে বিসিএস পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়াতে বিসিএস ক্যাডার না হতে পারলেও ভালো সরকারি চাকরি পেয়েছে কিংবা ব্যাংকে জব হয়েছে। এই জন্য BCS পরীক্ষার প্রস্তুতিকে বলা হয় “Mother of All Jobs Preparation”।
সাম্প্রতিক সময়ে দেখা গেছে কেউ যদি বিসিএস প্রিলিমিনারি, রিটেন, ভাইভা পাশ করে তাহলে বিসিএস ক্যাডার হতে না পারলেও কোনো প্রকার ঘুষ, তদবির ছাড়াই সরকারি নন-ক্যাডার ফার্স্ট ক্লাস বা সেকেন্ড ক্লাস জব পাচ্ছে; যা অনেক সম্মানের।

★অনেকে মনে করেন, “BCS ক্যাডার হতে গেলে অনেক বেশি পড়তে হয়; যেহেতু আমি অন্যদের মতো এতো বেশি পড়তে পারি না পড়ার সুযোগ নেই, অতএব আমার দ্বারা বিসিএস ক্যাডার হওয়া সম্ভবপর নয়।”
-এটা ভাবলে সত্যিই আপনি আর বিসিএস ক্যাডার হতে পারবেন না। কারণ আপনি পরীক্ষা দেয়ার আগেই ফেল করে ফেলেছন। আপনাকে পজিটিভ কিছু ভাবতে হবে।

আপনাকে ভাবতে হবে, “আমার দ্বারাই হবে। যারা বিসিএস ক্যাডার হয় তারা ভিনগ্রহ থেকে আসেন নাই; তারা আমার মতোই একজন মানুষ। তারা পারলে আমি পারবো না কেন?”
আর হ্যাঁ, বিসিএস ক্যাডার হতে গেলে অনেক বেশি পড়তে হয় যারা বলে তাদের সাথে আমি সম্পূর্ণ একমত নয়। আমি মনে করি, পরিকল্পনা মাফিক সঠিক গাইডলাইন অনুযায়ী কেবল গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো পড়লেই সহজে প্রিলি পাশ করা যায়।

কারণ ২০০ নম্বরের বিসিএস প্রিলিতে আপনার ১৮০-১৯০ পাওয়ার দরকার নেই।
১২০ নম্বর পেলে বিসিএস প্রিলির যেকোনো পরীক্ষায় সেইফ জোন ধরা যায়। আপনি দেখবেন, ৩৮তম বিসিএস প্রিলিতে অনেকেই প্রথম প্রথম বলেছে, প্রশ্ন সহজ হয়েছে এই প্রশ্নে ১৪০-১৫০ না পেলে প্রিলি পাশ করা পসিবল না। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কী হলো, ১১০-১১৫ নম্বর পেয়ে ঠিকেছে!

সর্বশেষ ৪০তম বিসিএসেও অনেকেই ১০৬-১১০ নাম্বার পেয়ে প্রিলিতে পাশ করেছে।
কিন্তু এতো সহজ প্রশ্নেও এতো কমন নম্বর পাওয়ার কারণ কী?
মূল কারণ হলো, বেশি বেশি পড়ে মাথা নষ্ট করে পরীক্ষার হলে কমন ও সহজ প্রশ্নের উত্তর দিতে মূল করে। তাই আমি বলি,! কম পড়বেন কিন্তু Important বিষয়গুলো গুছিয়ে পড়বেন।”

দেখবেন কত সহজে বিসিএস প্রিলি পাশ করা যায়! আর আমি ব্যক্তিগতভাবে এই আইডিয়াকে কাজে লাগিয়ে ৩৪তম বিসিএস থেকে শুরু ৪০তম বিসিএস (৩৯তম স্পেশাল বিসিএস ব্যতীত) পর্যন্ত টানা ৬টি বিসিএস দিয়েছি আর ৬টি BCS-ই পাশ করেছি; এমন কি আমি ব্যাংকের কাজের এতো চাপের মধ্যেও প্রিলিতে ফেল করিনি।

আরেকটি বিষয় খেয়াল করবেন কেউ এমন আছে যে, অল্প পড়েও বার বার বিসিএস পাশ করছে, আমার কেউ কেউ এমন আছে ৫-৬ বছর ধরে রাত-দিন পড়েও একবারও বিসিএস প্রিলি পাশ করতে পারে না। এখানে মূল কারণ হলো পড়ার টেকনিক, গাইডলাইন।

বিসিএসে একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আপনি সকল টপিক না পড়ে কি কি টপিক পড়বেন সেটা সঠিকভাবে সিলেক্ট করা। আর আপনি যদি এই কাজটি করে ফেলতে পারবেন, এখানেই আপনার বিসিএস প্রলি প্রস্তুতি অর্ধেক শেষ! আর বাকি অর্ধেক হলো আপনার পরিশ্রম ও ভাগ্য।

আর তাই বিসিএস ও সরকারি চাকরির প্রার্থীদের কথা ভেবেই শুধু গুরুত্বপূর্ণ টপিকগুলো নিয়ে বাংলাদেশের প্রথম সাজেশনভিত্তিক বিসিএস প্রিলির পূর্ণাঙ্গ বই “BCS Preliminary Analysis” রচিত।

এই এক বইয়ে বিসিএস প্রিলির সব বিষয়ের শুধু গুরুত্বপূর্ণ টপিকগুলো সাজেশন আকারে গুছিয়ে দেয়া হয়েছে। অতএব, এই বইটি পড়লে আপনাকে আর চিন্তা করতে হবে না- বিসিএস প্রিলির জন্য কী কী পড়বেন আর আর কী কী বাদ দিবেন।
কোন বিষয়টি বেশি Important আর কোনটি কম Important। কেননা, আমরা এই বইটিতে সেই বিষয়গুলো সুন্দরভাবে আলোচনার মাধ্যমে তুলে ধরেছি।

তবে যাদের হাতে অনেক সময় আছে ও অনেক বেশি পড়তে পারেন, তারা বিসিএস প্রিলির বিষয়ভিত্তিক আলাদা বই পড়লে আরো ভালো করতে পারবেন, ইনশাআল্লাহ। কারণ, “BCS Preliminary Analysis” বইটি মূলত স্বল্প সময়ে ভালো প্রস্তুতির জন্য।

★”BCS Preliminary Analysis” বইটিতে BCS প্রিলির সকল বিষয়ের Important টপিকের ব্যাখ্যাসহ বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। সাথে মনে রাখার সহজ টেকনিক আছে।

বইটি সম্পর্কে শুধু এইটুকু বলতে চাই, যারা বইটি হাতে পেয়েছেন, তারা বুঝবেন কেন বইটি অন্যান্য বই থেকে আলাদা ও কেন বাজারে এতো চাহিদা থাকা সত্ত্বেও আমি বইটি প্রকাশ করতে বেশি সময় নিয়েছি।

“BCS Preliminary Analysis” বইটিতে সকল বিষয় এমনভাবে গুছিয়ে দেয়া হয়েছে টেকনিক ও সাজেশন আকারে যা অন্য কোনো বইয়ে পাবেন না।

★মনে রাখবেন, “একটি ভালো বই আর ভালো সিদ্ধান্ত বদলে দিতে পারে আপনার জীবন।”

সবার জন্য অনেক অনেক শুভ কামনা রইল।

© Gazi Mizanur Rahman

***৩৫তম বিসিএস ক্যাডার,

****সাবেক সিনিয়র অফিসার (পূবালী ব্যাংক লিমিটেড)

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category