1. admin@bdnews88.com : newsroom :
  2. wadminw@wordpress.com : wadminw : wadminw
পিঠা বিক্রির ২০ বছরপূর্তি, দেড় হাজার মানুষকে পিঠা খাওয়ালেন ফ্রি - বিডি নিউজ
January 25, 2023, 2:11 pm
Breaking News:

পিঠা বিক্রির ২০ বছরপূর্তি, দেড় হাজার মানুষকে পিঠা খাওয়ালেন ফ্রি

  • Update Time : Tuesday, January 25, 2022
  • 125 Time View
বিক্রির ২০ বছরপূর্তি দেড় হাজার মানুষকে পিঠা খাওয়ালেন ফ্রি

পিঠা বিক্রির ২১ বছর পূর্ণ হওয়ায় ফ্রিতে দেড় হাজার পিঠা খাওয়ালেন ভ্রাম্যমাণ পিঠা বিক্রেতা লিটন বেপারি। চাঁদপুর শহরের প্রাণকেন্দ্র কালীবাড়ি কোর্টস্টেশন এলাকায় রেললাইনের পাশে ফুটপাথে পিঠা বিক্রি করেন তিনি। পিঠা বিক্রির ২১ বছর পূর্ণ হওয়ায় বুধবার দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত চলে ফ্রিতে পিঠা খাওয়ার উৎসব। তার এই অনন্য মেহমানদারিতে মুগ্ধ সবাই।

২০০১ সাল পর্যন্ত শহরের পালবাজারে ১০০ টাকা মজুরিতে কাঁচামালের আড়তে কাজ করতেন লিটন। ওই বছর তিনি কাজ ছেড়ে দিয়ে পিঠা বিক্রি শুরু করেন। তার পিঠা বিক্রির ২১ বছরপূর্তি উপলক্ষে শুধু মুখে দাওয়াত দেননি, রীতিমতো আমন্ত্রণপত্র টানিয়ে দাওয়াত দিয়েছেন এই পিঠা বিক্রেতা। ফ্রিতে পিঠা খেয়ে খুশি সবাই। তার এই মহত উদ্যোগে সাধুবাদ জানিয়েছেন ক্রেতারা। জীবিকা নির্বাহের ফাঁকে বিশেষ দিনে এ উদ্যোগ নিয়েছেন লিটন।

ফ্রি পিঠা খেয়ে জসিম, মিনহাজ ও রুবেল বলেন, চাঁদপুর শহরে অনেকই পিঠা বিক্রি করেন। কিন্তু এমন আয়োজন কেউ কখনও করেনি। লিটন ভাই প্রতিবছর একবার ফ্রিতে পিঠা খাওয়ান। তিনি একজন বড় মনের মানুষ। তিনি আমাদের পিঠা খাওয়াতে পেরে খুব খুশি হয়েছেন, আমরাও হয়েছি। পিঠা বিক্রেতা লিটন বেপারি বলেন, চাঁদপুর শহরে পিঠা বিক্রির আমার ২১ বছর হয়েছে, তাই আমার প্রাণের ক্রেতাদের ফ্রিতে পিঠা খাওয়ালাম। আল্লাহর কাছে শুকরিয়া জানাই, আমি আমার কথা রাখতে পেরেছি। ফ্রিতে পিঠা খাওয়ানো বড় কথা নয়, মানুষ যে ভালোবেসে আমার কাছে আসে সেটাই বড় পাওয়া। পাঁচ চুলায় দেড় হাজার পিঠা মানুষকে খাওয়ালাম।

লিটন বেপারি বলেন, ফ্রিতে পিঠা খাওয়ার দাওয়াত দিলেও এটা আসলে পিঠাপ্রেমী মানুষের প্রতি আমার ভালোবাসা। দুপুর থেকে শুরু হয় এই আয়োজন। কেউ দুইটা, আবার কেউ চার পিঠা বাড়ি নিয়ে খেয়েছেন। লিটন বলেন, পিঠা বিক্রি করেই চলে আমার সংসার। শুধু তাই নয়, পিঠা বিক্রির আয় দিয়ে স্কুল, কলেজে পড়াশোনা করেছে আমার তিন মেয়ে। আমি পিঠা তৈরির পাশাপাশি সবজি বিক্রি, রিকশা চালানোসহ বিভিন্ন কাজ করে থাকি। তবে আগের মতো আর পিঠা বিক্রি হয় না। করোনার কারণে এখন দোকানে মানুষ কম আসে। এ ছাড়া মানুষ পিঠা বাড়ি নিয়ে যেতেও চায় না।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category